খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

আসন্ন ইউপি নির্বাচন: যশোরের ৮ উপজেলায় ৫৪ ভোটকেন্দ্রে রদবদল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আসন্ন ইউপি নির্বাচন: যশোরের ৮ উপজেলায় ৫৪ ভোটকেন্দ্রে রদবদল

ছবি যোগফল



মেহেদী হাসান রিপন, স্টাফ রিপোর্টার:

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে যশোরের আট উপজেলায় ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকায় ব্যাপক রদবদল এনেছে জেলা নির্বাচন কার্যালয়। নাম ও প্রতিষ্ঠানের পরিচয় সংশোধন, ঝুঁকিপূর্ণ বা জরাজীর্ণ ভবন পরিবর্তন, নতুন কেন্দ্র নির্ধারণ, দুটি কেন্দ্র বিলুপ্তি এবং ওয়ার্ড পুনর্গঠনের সূত্রে ভোটার এলাকা পুনর্বিন্যাসসহ সব মিলিয়ে মোট ৫৪টি ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ জুলাই জেলার ৮১৯টি খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত দাবি ও আপত্তি দাখিলের সময় দেওয়া হয়েছিল। প্রাপ্ত সাতটি আবেদনের নিষ্পত্তি শেষে এই চূড়ান্ত সম্ভাব্য তালিকাটি প্রকাশ করা হয়। 'ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৫' অনুসরণ করে অবকাঠামো, কক্ষ সংখ্যা, যোগাযোগ সুবিধা, খেলার মাঠের উপস্থিতি ও ওয়ার্ডের ভৌগোলিক সীমানাকে অগ্রাধিকার দিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ শরিফুল ইসলাম।

উপজেলাভিত্তিক পরিবর্তনের চিত্র:
 
* শার্শা (১৯টি): জেলায় সর্বাধিক রদবদল হয়েছে শার্শায়। উপজেলার ১১৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৪টির নাম সংশোধন করা হয়েছে। যেমন—রহিমপুর আলিম মাদ্রাসা পরিবর্তন হয়ে রহিমপুর ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা, লক্ষণপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় হয়েছে লক্ষণপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বড় মান্দারতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হয়েছে বিএম শ্রীকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ঘিবা দাখিল মাদ্রাসা হয়েছে ঘিবা দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা। পাশাপাশি বেনাপোল পৌরসভার সীমানা পরিবর্তন ও অবকাঠামো বিলুপ্তির কারণে ধান্যখোলা, উত্তর কাগজপুকুর ও আমড়াখালীর কেন্দ্রগুলোতে প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করা হয়েছে।
 
* ঝিকরাগাছা (১০টি): আটটি বিদ্যমান কেন্দ্র পরিবর্তনের পাশাপাশি দুটি স্থানে ভোটার এলাকা পুনর্গঠন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের গত ১১ জুনের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নির্বাসখোলা ইউনিয়নে ওয়ার্ড পুনর্গঠন করে মির্জাপুর-খরুষা এবং রাজারডুমুরিয়া-বেড়ারুপানি এলাকা যুক্ত করার প্রভাবে এই পরিবর্তন আসে।

* মনিরামপুর (৮টি): ভৌগোলিক সীমানা ও স্থানীয় যাতায়াত সুবিধা বিচারে ৮টি কেন্দ্র সরানো হয়েছে। ফলে ভোজগাতী ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের জায়গায় টুনিয়াঘরা মহিলা আলিম মাদ্রাসা, শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বদলে শ্রীপুর আদর্শ মহিলা আলিম মাদ্রাসা, বাকোশপোল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জায়গায় বাকোশপোল বাগে জান্নাত মহিলা কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানা এবং জালঝাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্থলে জালঝাড়া নুরানী হাফিজিয়া কওমি মাদ্রাসায় ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

* বাঘারপাড়া (৫টি): ভোটার বৃদ্ধি ও যাতায়াত সুবিধার কথা চিন্তা করে বন্দবিলা ইউনিয়নের খাজুরা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় এবং রায়পুর ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে বিদ্যমান কেন্দ্রের সাথে যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া নারিকেলবাড়িয়াতেও কেন্দ্র বদল হয়েছে।

* যশোর সদর (৩টি): ফতেপুর ইউনিয়নে অবকাঠামোগতভাবে দুর্বল একটি কেন্দ্র সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করা হয়েছে। অন্য দুটি পরিবর্তনের মধ্যে লেবুতলা ইউনিয়নে আনসার ভিডিপি ক্লাবের বদলে একই স্থানে থাকা লেবুতলা দক্ষিণপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকের নাম ব্যবহার করা হয়েছে।

* অভয়নগর (৩টি): বাহিরঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বদলে বাহিরঘাট মেছেরিয়া দাখিল মাদ্রাসা এবং চেঙ্গুটিয়ার পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের বদলে আরাজি বাহিরঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে কেন্দ্র করা হয়েছে। এছাড়া ধোপাদী পশ্চিমে অস্তিত্বহীন ব্র্যাক স্কুলের জায়গায় সঠিক নাম সংশোধন করা হয়।

* কেশবপুর (৩টি): পর্যাপ্ত কক্ষ, বড় মাঠ ও প্রধান সড়কের পাশে অবস্থান হওয়ায় আড়ুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিবর্তে আড়ুয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসাকে কেন্দ্র নির্বাচন করা হয়েছে। এছাড়া শংকরপুর ও হরিদ্রাপোতা ইউনিয়নে কেন্দ্রসংক্রান্ত সংশোধন আনা হয়েছে।

* চৌগাছা (৩টি): উপজেলার সিংহঝুলী, মাড়ুয়া ও হাকিমপুর ইউনিয়নে একটি করে মোট তিনটি পরিবর্তন আনা হয়েছে।

আবেদন নাকচ:

উলাশী ইউনিয়নের যদুনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রটি সরিয়ে বড়বাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেওয়ার জন্য স্থানীয় ওসমান গনি গত ১৭ আগস্ট একটি আবেদন করেন। তবে ২০ আগস্ট সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, বর্তমান যদুনাথপুর কেন্দ্রটি ৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রধান সড়কের পাশে অবস্থিত, অন্যদিকে প্রস্তাবিত বড়বাড়িয়া কেন্দ্রটি ৮ নম্বর ওয়ার্ডের অংশ।ভৌগোলিক সীমানা জটিলতার কারণে নির্বাচন অফিস আবেদনটি নাকচ করে যদুনাথপুর কেন্দ্রটিই বহাল রাখে।

যোগফল অনলাইন নিউজ ডেস্ক 

চু/রি/র বিরোধে কৃষককে পি/টি/য়ে হ/ত্যা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চু/রি/র বিরোধে কৃষককে পি/টি/য়ে হ/ত্যা
নোয়াখালী প্রতিনিধি | যোগফল অনলাইন 

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হুমায়ন কবির (৬০) নামে এক কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার ২ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফেনীর সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া এলাকায় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত হুমায়ন কবির কোম্পানীগঞ্জ ও ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সীমান্তবর্তী চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া গ্রামের আলী আহম্মদের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন। তার বাড়ি সোনাগাজীতে হলেও তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার।

নিহতের ছেলে মিজানুর রহমান বলেন, তারা সোনাগাজীর চরচান্দিয়া গ্রামে বসবাস করলেও তাদের ভোটার ও অন্যান্য কার্যক্রম কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়। প্রায় ১৫-১৬ দিন আগে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের জিন্না মাঝি বাড়ির মো. ইলিয়াছের (৫৫) ছেলে নূর আমিনের (৩০) পাম্প মেশিন ভাড়া নিয়ে তাদের একটি পুকুরে সেচ দিয়ে মাছ ধরা হয়। ওই সময় নূর আমিন তাদের তেল ও মাছ চুরি করেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। পরে মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল হক দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

তিনি আরও বলেন, সোমবার বিকেলে তার বাবা প্রতিবেশী আব্দুস ছাত্তারের সঙ্গে দাড়িয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় ইলিয়াছ ভুল বুঝে মনে করেন, তার বাবা তাদের নিয়ে কথা বলছেন। তাৎক্ষণিক ইলিয়াছ তার দুই ছেলে নূর আমিন ও শুক্কুরকে ফোন করে সেখানে ডেকে আনেন। পরে তারা কয়েকজন মিলে লোহার রড, ধারালো কিরিচ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার বাবার ওপর হামলা চালান।

মিজানুর রহমানের অভিযোগ, হামলাকারীদের একজন লোহার রড দিয়ে তার বাবার মাথায় আঘাত করেন। আরেকজন ধারালো কিরিচ দিয়ে মাথায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি সরে যান। এতে তার মুখের বাম পাশে ও বাম চোখের নিচে দুটি স্থানে গুরুতর জখম হয়। এ সময় তার পকেটে থাকা মহিষ বিক্রির বায়না বাবদ ১৫ হাজার টাকাও নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শারীরিক অবস্থার অবনতি ও বমি হওয়ায় চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। পরে তাকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে ঘটনাটি ফেনীর সোনাগাজী থানার আওতাধীন এলাকায় হওয়ায় বিষয়টি সেখানকার পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হাসিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনিও ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পীরগঞ্জে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পীরগঞ্জে  "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী | পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 

পীরগঞ্জে গুড নেইবারস বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ‘চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ নভেম্বর বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পীরগঞ্জে শিশুদের সূরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুড নেইবারস বাংলাদেশ, পীরগঞ্জ সিডিপির (Pirganj CDP) আয়োজনে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বারে  প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল—"শিশুর সুরক্ষা, আমাদের অঙ্গীকার"।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী সরদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেণ ঠাকূরগাঁও -৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান,  সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউর ইসলাম জিয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জিন্নাতারা ইয়াসমিন, প্রমুখ।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার এবং তাদের সুরক্ষায় সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা, সুধীবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ছবিতে গ্রেফতারকৃরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নাশকতা, জুয়া ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গড়েরআবাদ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই নুরে আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স অভিযান চালিয়ে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার সময় ছয়জনকে আটক করে। এ সময় জুয়ার টাকা ও খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মৃত আবতাপ গাজীর ছেলে রশিদ গাজী (৫৫), আবুল কাসেমের ছেলে আমিরুল (৩৮), মৃত সামাদের ছেলে সফিকুল (৬০), জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা (৬২) এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল (৩৫)। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪/২৬।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাজরার ছেলে হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল হাজরা (৪৮) এবং বুধবার সকাল ১১টার দিকে গদাইপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ফারজাহান পারভেজ ওরফে রুমি (২৫)-কে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাইকগাছা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।